• 0 Items - 0.00
    • No products in the cart.

Romantic

চম্পাঝরন

105.00

বুদ্ধদেব গুহ

কর্মজীবন থেকে সেমি-রিটায়ার্ড গৌতমনারায়ণ ধৃতির সঙ্গে এসেছেন চম্পাঝরনের বনবাংলোতে। একদিকে অনির্বচনীয় নৈসর্গিক সৌন্দর্য, অন‌্যদিকে নারীশরীরের নিষিদ্ধ আঘ্রাণ_এ আসলে আত্মানুসন্ধানী গৌতমনারায়ণের অন‌্য এক আরণ‌্যক নির্বাসন। একসময়ের দুর্ধর্ষ শিকারি এই মানুষটি নারীর হৃদয়শিকারেও সমদক্ষতার অধিকারী। শরীরের সংস্কারও তাঁর নেই। শুধু অ‌্যানজিওপ্লাস্টি হওয়ার পর থেকে বেপরোয়া অ‌্যাডভেঞ্চারের ঝোঁক হয়তো সংবৃত হয়েছে কিয়দংশ। সাতপুরা পর্বতমালার পটভূমিতে, ন‌্যারোগেজ রেললাইন পেরিয়ে, প্রাচীন মহুয়া গাছের আশ্রয়ে, টিটিপাখির ডাক শুনতে শুনতে মহারাষ্ট্রের এই অভয়ারণ‌্যে গৌতমনারায়ণ আত্মস্থ করছেন তাঁর মোহিনী, সুন্দরী পরিপার্শ্বকে। কিন্তু সুন্দরের মধ‌্যেই লুকিয়ে থাকে অপ্রত‌্যাশিত কোনো ভয়ংকর। অষ্টমীর চাঁদের আলোকেও স্নান করে তীব্র আলোর ঝলকানি জঙ্গল চিরে কাদের যেন খুঁজতে থাকে। কী হল গৌতমনারায়ণের? ধৃতির সঙ্গে তাঁর বন্ধুতা কি কোনও পূর্ণতা পেল? নাকি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়ছে যারা, তিনি জড়িয়ে পড়লেন তাদের সঙ্গে আকস্মিক কোনো সংঘর্ষে? জানতে গেলে পড়তে হবে পাহাড়ি ঝরনার মতো উচ্ছলিত, অসমবয়সী প্রেমের এই অনুপম উপন‌্যাস।

পঞ্চাশটি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

280.00

শীর্ষেন্দুর প্রেমের গল্প হয়তো-বা কুয়াশার আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক জীবন্ত পৃথিবী। সেখানে পায়ের তলায় অন্ধকার রেলগাড়ির মতো বয়ে চলে জল। ব্রহ্মপুত্রের ওপর দিয়ে শম্ভুগঞ্জের দিকে ভেসে চলে গুদারা নৌকো। বাড়ির চূড়ার শ্বেতপাথরের পরিটা মার্বেলের ভিত ছেড়ে উড়ে চলে যায় মোড়ের লাল রঙের বেঁটে ডাকবাক্সটার কাছে। বহুকালের পুরোনো তাদের প্রেম। শরীরী, অশরীরী, জান্তব, যান্ত্রিক—সব প্রেমই রহস‌্যময় এক কুয়াশার খোলসে ঢাকা থাকে শীর্ষেন্দুর জাদুগদ‌্যে। তাই নাগরিক কিংবা মফসসলি—চেনা-অচেনা সব পটভূমিতেই প্রেম শীর্ষেন্দুর গল্পে ভিন্ন এক মাত্রা নিয়ে উপস্থিত থাকে। গঞ্জের মানুষ থেকে পরপুরুষ হয়ে তাঁর কলম ঝড় ছুঁয়ে চলে যায় উদ্দীষ্ট পাত্রীর সন্ধানে। এই সংগ্রহে সংকলিত হল শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের এমন পঞ্চাশটি গল্প, শুধু প্রেমের কাহিনি নয়, কালের বিচারে ছোটোগল্প হিসেবেও যেগুলি উত্তীর্ণ।

প্রেমের গল্প

315.00

সুনীল গঙ্গোপাধ‌্যায়

‘নারীর দুঃখ’ হোক কিংবা ‘তেহেরানের স্বপ্ন’, প্রেম সুনীলের প্রতিটি গল্পে আলাদা এক চিত্রকল্প তৈরি করে। কখনো সেখানে আহত বাঘের মতো নায়ক চেটে নেয় নিজের ক্ষতস্থান, কখনও বা নায়িকাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে অনির্বচনীয় এক ভয়। দৃঢ় স্বাস্থ‌্যময়, গৌরবর্ণ উজ্জ্বল মুখ বৈমানিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে একটি গল্পে আরও মহীয়ান হয়ে উঠতে বলে মনীষার এক প্রেমিক, আরেক গল্পে  প্রথমে যেমন জাহাজের মাস্তুলটুকু শুধু দেখতে পাওয়া যায়, তেমনি দূরে অবিনাশ দেখতে পায় রানির সুডৌল হাতটিকে। ‘মঞ্জরী’ গল্পে মঞ্জরীকে দেখে কথকের মনে হয় পৃথিবীতে কোনো ময়লা নেই, দুর্গন্ধ নেই, ঘাম নেই। কোথাও মানুষকে মানুষ মারছে না। মোলায়েম স্নিগ্ধ হাওয়ায় পৃথিবীটা ভরে গেছে। রাস্তা হয়ে যায় নদী, দুজনে দুদিকে, পার হবার উপায় নেই। ট‌্যাক্সির ব্রেক কষার দারুণ শব্দে রুক্ষ বাস্তবে ফিরে আসে কাহিনি। এইভাবেই বাস্তব আর কল্প-বাস্তব, স্বপ্ন আর দূরত্ব, প্রতীক্ষা আর ব‌্যর্থতা তৈরি করে প্রেমের অনিঃশেষ এক আখ‌্যান। স্বভাবতই, ‘রোম‌্যান্টিক’ বা অন‌্য কোনো সীমায়িত অভিধা তিরিশটি গল্পে ব‌্যাপ্ত বিচিত্র এই অনুভবরাশির নির্যাসকে আঘ্রাণ করতে অক্ষম।

বু দ্ধ দে ব গু হ পাঁচটি প্রেমের উপন্যাস

276.50

সেই কোয়েলের কাছে থেকে তিনি আমাদের নিয়ে গেছেন একের পর এক মাধুকরী সংগ্রহের আরণ‌্যক অভিযান। পাশাপাশি, তাঁর তীব্র নাগরিক চেতনা উন্মোচিত করেছে মধ‌্যিবত্ত ও উচ্চমধ‌্যিবত্ত বাঙালি সমাজের যাবতীয় ভণ্ডামিকে। এরই মাঝে প্রস্ফুটিত হয়েছে প্রেম, তার তীব্র আবেগ, অনুপম অনুভব এবং শাশ্বত সংরাগ নিয়ে। এই পাঁচটি উপন‌্যাসেও অনায়াস ঋজুতায় বুদ্ধদেব ছুঁয়ে নেন নারীচরিত্র চিত্রায়ণে দক্ষতায় শীর্ষেন্দু। ‘উঁচুমহল’-এর মনীষা, ‘ঋক’-এর তৃষ্ণা, ‘আলোকঝারির দিনগুলিকে’-র শিলি, ‘পরিযায়ী’-র ঐশিকা এবং ‘ঝাঁকিদর্শন’-এর বউরানি—আমাদের চেনা চরিত্র হয়েও শেষ অবধি রয়ে যায় অচেনা। সৌন্দর্যে, সাহসে, রহস‌্যময়তায় তারা পাঠককে টেনে নিয়ে যায় ভিন্ন এক অন্তর্লোকের আরাধ‌্য দেবী আর বুদ্ধদেবের জাদুগদ‌্য তার চিরতৃষ্ণার্ত, চির-অপেক্ষমাণ, অভিমানী উপাসক।

মনের মানুষ

70.00

এই সময়ের বিশিষ্ট কবি প্রদীপ কুমার রায়ের কবিতায় ধরা পড়ে এক অব্যক্ত বেদনা। বিচিত্র বিষয়ক কবিতার মধ্যেও ফিরে ফিরে আসে এক খোঁজ। কবি খুঁজে ফেরেন তাঁর মনের মানুষ। এক মায়াবী আলোয় মাখা অপূর্ব সারল্যের বিস্তার এই বই জুড়ে। যেন এ কোনো কবিতা নয়, এ হল নদী, যা বাঁকে বাঁকে বদলে নেয় নিজেকে এবং সেইসঙ্গে নিজের অভিমুখ।

সে এক অন্যদেশ

140.00

মুকুরদীপি রায়

কারগিল যুদ্ধের প্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর চিকিৎসক প্রমিতের সঙ্গে মণিদীপার প্রেম প্রস্ফুটিত হয়েও পূর্ণতা পায় না। কিন্তু শাশ্বত হয়ে রয়ে যায় তাদের মধ্যে বিনিমিত কিছু চিঠি, চিঠির ভেতরের আখ্যান আর জ্যোৎস্নার মতো রাতের আকাশে ভেসে বেড়ানো কয়েকটি শব্দ।